পোস্টটি পড়া হয়েছে 36,826 বার
শবে মেরাজের আমল। শবে মেরাজের নামাজ, শবে মেরাজের রোজা, শবে মেরাজ পালন করা বিদআত

শবে মেরাজ উদযাপনঃ সুন্নাহ নাকি বিদআত?

ইসরা ও মেরাজ সংঘটিত হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নাই। এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্য ফরজ। কিন্তু প্রতি বছর বছর একটি নির্দিষ্ট রাতকে শবে মেরাজ হিসাবে পালন করার বিধান কী? এটি কি সুন্নত নাকি নফল নাকি মুস্তাহাব? প্রতি বছরের একটি রাতকে শবে মেরাজ হিসাবে নবীজি (সা) উদযাপন করেছিলেন কি? সাহাবীগণ করেছিলেন? তারা কি এই রাতে বিশেষ নামাজ ও পরদিন রোজা রাখতেন? তারা যদি এটা না করে থাকেন তাহলে আমরা এই আমল কোথা থেকে পেলাম? এই বিশেষ আমলকে কি সুন্নত বলব নাকি বলব বিদআত?

পোস্টটি পড়া হয়েছে 10,208 বার
Miladunnabi মিলাদুন্নবী জশনে জুলুশ বিদআত

ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন বনাম ইসলামে জন্মদিন পালনের বিধান

ইসলামের মৌলিক শিক্ষা না থাকলে তখন বিভিন্ন শিরক ও বিদআতে নিমজ্জিত হওয়া অবধারিত হয়ে যায়। বিশুদ্ধ ইলম না থাকলে, বিদআতের মাধ্যমে শর্টকাটে বেহেশতে যাওয়ার দিবা স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। যে সকল মুসলিম পুরুষের জন্য দাড়ি লম্বা করা, টাখনুর উপরে কাপড় পড়া অত্যন্ত কঠিন কাজ। তাদের কাছেও ১২ রবিউল আউয়ালে নব আবিষ্কৃত, তথা কথিত জশনে জুলুশের শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে নবীপ্রেমের স্লোগান দেয়া মামুলি ব্যাপার। বিদআতীরা শহরের দেয়ালে দেয়ালে লিখে ভরিয়ে ফেলে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা ফরজ, এটা পালন করলে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়া যায়। এদের অনুসারীদের একবারের জন্যও প্রশ্ন যাগে না কোন আয়াত বা কোন হাদীস দ্বারা দ্ব্যর্থহীন ভাবে এই দাবীটি প্রমাণিত? তাদের কাছে জানতে চাইলে উত্তরে পাওয়া যাবে “তোরা নবীর দুশমন! এজিদের বংশধর!”। আল্লাহ এসকল মোহরাঙ্কিত হৃদয়গুলোকে হেদায়েত দান করুন। আজকের এই লেখা থেকে জানব জন্মদিন উদযাপন করা মুসলিমদের রীতি নয়। বরং হিন্দু, খৃষ্টান, ইহুদী ও বৌদ্ধ ধর্মের ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত।